‘আউটসোর্সিং বাড়াবে ব্রডব্যান্ড’

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪০  
সারাবিশ্বে ব্রডব্যান্ডের চাহিদা বাড়ছে। মানুষ ডাটা থেকে ব্রডব্যান্ডের দিকে যাচ্ছে। প্রফেশনাল কাজ করার জন্য প্রয়োজন ব্রডব্যান্ড। আমাদের রয়েছে তরুণ জনসংখ্যা। যারা আউটসোর্সিং কাজের সাথে জড়িত, আউটসোর্সিং কাজ ভালো করা যায় ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে। সরকার সে লক্ষ্য নিয়ে গ্রামে ব্রডব্যান্ড পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ। মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ও প্রান্তিক গ্রাহক সন্তুষ্টিতে মোবাইল অপারেটরদের ভূমিকা’ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এম এন জিয়াউল আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: মহসিনুল আলম, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. নাদির বিন আলী এবং গ্রামীনফোনের হেড অফ পাবলিক এন্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদ্দাত। অনুষ্ঠানটি মডারেট করেন এমটবের সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এস এম ফরহাদ। অনুষ্ঠানে এম এন জিয়াউল আলম বলেন, প্রযুক্তি খাতে দেশের বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। একটা সময় মোবাইল ছিল কথা বলার জন্য, এখন সব কিছুই মোবাইলে করা সম্ভব। সরকারের সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়ে আইসিটি বিভাগের এডিশনাল সচিব বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, ব্রডব্যান্ড সেবা সরকারের একার পক্ষে গ্রামের ঘরে ঘরে পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাই সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলেই কাজ করবে। পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করবে বিটিআরসির এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলো। আর লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি  দেবে আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো। অনুষ্ঠানে মো: মহসিনুল আলম বলেন, দেশে বর্তমানে মোবাইল ফোন সংযোগ সংখ্যা ১৭.০১ কোটি। জিএসএমএ এর তথ্য অনুয়ারী ২০১৯ সাল শেষে জনগোষ্ঠীর ৫৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৮.৫ কোটি গ্রাহক মোবাইল ব্যবহার করে। মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ ২জি, ৪০ শতাংশ ৩জি এবং ১০ শতাংশ ৪জি গ্রাহক। সে হিসেবে দেশের ৫০ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশের মোবাইল ফোন ইড্রাস্ট্রি বিশ্বের নবম এবং এশিয়ার ৫ম। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামীর প্রযুক্তি কারিকুলামে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. নাদির বিন আলী। গ্রামীনফোনের হেড অফ পাবলিক এন্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদ্দাত বলেন, সহজে সেবা মিলছে বলেই মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ছে। করোনার কারণে দেশের সকল সেক্টরে মোবাইলের ব্যবহার বেড়েছে।